সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্যের দায়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্যের দায়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্যের দায়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত — বাংলা ধ্বনি

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের আইন কর্মকর্তা মাছুম বিল্লাহকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের বিদ্যমান আউটসোর্সিং নীতিমালা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রোববার ৬ সেপ্টেম্বর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংস্থাপন-১ শাখা থেকে এই সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মাসুমের সই করা আদেশে জানানো হয়েছে যে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। মন্ত্রণালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, মাছুম বিল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সরকারের আউটসোর্সিং নীতিমালার বিরুদ্ধে যে বিরূপ মন্তব্য করেছেন, তা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ২(খ) ধারা অনুযায়ী অসদাচরণের পর্যায়ে পড়ে।

একই বিধিমালার ৩(খ) ধারা অনুযায়ী তাকে অসদাচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা প্রয়োজন ও সমীচীন বলে মনে করেছে। এই আদেশের ফলে মাছুম বিল্লাহকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তিনি সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে সরকারি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্ত হবেন।

এই আদেশের অনুলিপি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব, মন্ত্রণালয়ের আইসিটি সেল এবং চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত কর্মকর্তাকেও আদেশের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের নীতিমালার বিষয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা শৃঙ্খলা পরিপন্থী বলে গণ্য করা হয়েছে।

সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশনা রয়েছে। কোনো সরকারি কর্মচারী যদি সরকারের কোনো নীতি বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জনসম্মুখে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করেন, তবে তা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় বিভাগীয় তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

তদন্ত চলাকালীন সময়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকবেন। সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি নীতিমালার প্রতি আনুগত্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাময়িক বরখাস্তের এই আদেশটি সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মাছুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে যাতে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে যে বিধিনিষেধ রয়েছে, তা অমান্য করার কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনাটি সরকারি কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার বিষয়টি পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি নীতিমালার সমালোচনা করে কোনো ধরনের প্রচার চালানো সরকারি চাকরির বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণবিধি আরও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
ফারজানা আক্তার তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: ফারজানা আক্তার© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫