সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

সক্ষমতার তুলনায় প্রতিদিন ১৫১৯ মিলিয়ন ঘনফুট কম গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে

সক্ষমতার তুলনায় প্রতিদিন ১৫১৯ মিলিয়ন ঘনফুট কম গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে
সক্ষমতার তুলনায় প্রতিদিন ১৫১৯ মিলিয়ন ঘনফুট কম গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে — বাংলা ধ্বনি

দেশে বর্তমানে গ্যাসক্ষেত্র ও আমদানিকৃত এলএনজি মিলিয়ে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের মোট সক্ষমতা ৩ হাজার ৮৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে বাস্তবে এর বিপরীতে প্রতিদিন মাত্র ২ হাজার ৩৩৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত ও সরবরাহ করা হচ্ছে। অর্থাৎ দেশের সামগ্রিক সক্ষমতার তুলনায় প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন বা পেট্রোবাংলার সর্বশেষ দৈনিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটিতে ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের গ্যাস উৎপাদনের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশের তিনটি রাষ্ট্রীয় গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬টি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়।

এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ১৩৯ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে বর্তমানে এই কূপগুলো থেকে মোট ৭৩২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ৪৪টি কূপের সক্ষমতা ৮৫১ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও বর্তমানে তা থেকে ৪৮৪ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এই কোম্পানির সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র তিতাস থেকে দৈনিক ৩৩১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। এছাড়া সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ১৭টি কূপের সক্ষমতা ১৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বর্তমানে সেখান থেকে ১৩৮ দশমিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের ১৫টি কূপের সক্ষমতা ১৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও বর্তমানে সেখান থেকে ১০৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কূপগুলোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোর ৪৩টি কূপের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট।

এই কূপগুলো থেকে বর্তমানে ৯০০ দশমিক ২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। এছাড়া আমদানিকৃত এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পুনঃগ্যাসীকরণের মাধ্যমে দৈনিক ৭০২ দশমিক ১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশের গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের যে সক্ষমতা রয়েছে, তার তুলনায় প্রকৃত উৎপাদনের পরিমাণ অনেক কম।

পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সক্ষমতার তুলনায় প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম উৎপাদন হওয়ার বিষয়টি জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতির একটি বড় দিক। দেশের শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং আবাসিক খাতে গ্যাসের চাহিদা মেটানোর জন্য এই উৎপাদন ঘাটতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গ্যাসক্ষেত্রগুলোর বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা এবং প্রকৃত উত্তোলনের এই ব্যবধান জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। পেট্রোবাংলার এই দৈনিক প্রতিবেদনটি দেশের জ্বালানি খাতের সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা এবং বর্তমান বাস্তবতার একটি চিত্র তুলে ধরেছে। গ্যাসক্ষেত্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন কূপ খননের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও এই তথ্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এই ঘাটতি কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সামগ্রিকভাবে, দেশের গ্যাস খাতের এই পরিসংখ্যান জ্বালানি খাতের বর্তমান সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যতের চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে নির্দেশ করছে। পেট্রোবাংলার এই তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা অব্যাহত রয়েছে।

তবে দেশীয় উৎস থেকে উৎপাদন সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এই ঘাটতি কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের এই হিসাবটি দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থার একটি নিয়মিত চিত্র হিসেবে পেট্রোবাংলা প্রকাশ করে থাকে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী জ্বালানি পরিকল্পনা ও কৌশল নির্ধারণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
মিজানুর রহমান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: মিজানুর রহমান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫