সরাসরি
বাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাববাংলাদেশ ব্যাংকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলানারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটকরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের রাতে মির্জা ফখরুলের বাসভবনে নেতাকর্মীদের ভিড়কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তবৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদখুলনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তরুণকে গুলি করে হত্যাগুলশানে ঢাকা ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমি নিয়ে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
National মিনিট পড়া
|১০০%|

নদী দূষণমুক্ত রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নদী দূষণমুক্ত রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
নদী দূষণমুক্ত রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর — বাংলা ধ্বনি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। রবিবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকা ও এর আশপাশের নদীগুলোর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এবং নৌপথের নাব্যতা বৃদ্ধি ও বৃত্তাকার নৌপথ উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সভায় প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নদীগুলোকে দূষণমুক্ত রাখা এবং একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা কেবল বর্তমান সময়ের প্রয়োজন নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় দায়িত্ব। তিনি বলেন, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় কেবল সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় বসে না থেকে প্রতিটি নাগরিককে ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে।

নদী ও জলাশয় রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এর সংলগ্ন খাল ও ড্রেন থেকে বর্জ্য অপসারণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথের নাব্যতা নিশ্চিত করা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার বিষয়েও সভায় আলোচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নদী রক্ষায় ইতিমধ্যে গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন, যাতে নদী রক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুদ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিববৃন্দ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নদীগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং দূষণ রোধে চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। নদী দখল ও দূষণ রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরির ওপরও সভায় আলোকপাত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তার নির্দেশনায় বলেন, নদীগুলো দেশের অর্থনীতির প্রাণ। তাই এগুলোকে সচল ও দূষণমুক্ত রাখা জাতীয় স্বার্থেই অত্যন্ত জরুরি।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি এবং কাজের গুণগত মান বজায় রাখার নির্দেশ দেন। নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ড্রেজিং কার্যক্রম এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই নদীগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT
নুসরাত জাহান তথ্যাদি সম্পাদকীয় যাচাইকৃত

বাংলা ধ্বনি নিউজরুমের নিবন্ধিত সাংবাদিক। তথ্য অনুসন্ধান, সামাজিক সচেতনতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ।

বাংলা ধ্বনি নিউজরুম বিশেষ বিশ্লেষণ

এই প্রতিবেদনটি বাংলা ধ্বনি নিজস্ব সম্পাদকীয় পরিষদ কর্তৃক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যাচাইকরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সংবাদটির ধারাবাহিক আপডেট পেতে সাথে থাকুন।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যম
পাঠকদের প্রতিক্রিয়া
পরিবেশনায়: নুসরাত জাহান© 2026 Bangla Dhwani (বাংলা ধ্বনি)
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ খবর

আরও পড়ুন

/ ১৫